২০ হাজার ডলারের ড্রোনে ৭০ কোটির মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংস - rnews24

শিরোনাম

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২৬

২০ হাজার ডলারের ড্রোনে ৭০ কোটির মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংস

 


ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশেষ শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে, মাত্র ২০ হাজার ডলারের একটি শাহেদ-১৩৬ ড্রোন ব্যবহার করে ৭০ কোটি ডলারের একটি বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। খবর প্রেস টিভির।

গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এতে মার্কিন নজরদারি বিমানটি ধ্বংস হয়। ওই হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছে বলেও জানানো হয়।


 

রোববার (২৯ মার্চ) আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনীর শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের জবাবে আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযানে এয়ারবর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এডব্লিউএসিএস) নামে পরিচিত একটি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।’
 
তারা আরও জানায়, সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে যৌথ ইরানি অভিযানে মার্কিন বিমান বাহিনীর নজরদারি বিমানটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আশপাশের অন্যান্য বিমানও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
 
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত একটি ঘাঁটিতে বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে। বিমানটি ওকলাহোমা সিটির টিঙ্কার এয়ার ফোর্স বেস থেকে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছিল।
আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ আরও জানায়, ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমানটি ইরানের আসন্ন বিমান হামলা এড়ানোর চেষ্টা করছিল, তখনই একটি শাহেদ-১৩৬ ড্রোন সেটাকে শিকার করে। ফুটেজে দেখা যায়, ই-৩ সেন্ট্রিকে এর সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশে, অর্থাৎ লেজের কাছে আঘাত করা হয়েছে, যেখানে ব্যয়বহুল এএন/এপিওয়াই-২ রাডার থাকে। 
 
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ সামরিক অভিযান শুরু করে বলে দাবি করা হয়েছে, যেখানে ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার নিহত হন। যদিও ওই সময় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল।
 
জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তু এবং দখলকৃত অঞ্চলে ইসরাইলি অবস্থানগুলোর বিরুদ্ধে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযান শুরু করে।
 
 
ইরান দাবি করেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের আকাশসীমা ও আশপাশের অঞ্চলে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৪০টি ড্রোন এবং বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এছাড়া অপারেশন ট্রু প্রোমিজ ৪-এর অংশ হিসেবে আইআরজিসি এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তুতে ৮৬ দফা পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages