প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল ভারত - rnews24

শিরোনাম

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০২৪

প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল ভারত

সফলভাবে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। ছবি : সংগৃহীত
 

শব্দের গতির চেয়েও ৫ থেকে ২৫ গুণ বেশি গতিতে ছুটতে পারা ক্ষেপণাস্ত্রকে বলা হয় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। পৃথিবীতে শুধু দুটি দেশ চীন এবং রাশিয়া এই ধরণের মারণাস্ত্র প্রকাশ্যে এনেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ আরও অনেক দেশ এই প্রযুক্তি অর্জনের জন্য অনেকদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে সকলকে অবাক করে দিয়ে এবার ভারত পরীক্ষা চালিয়ে ফেলেছে নিজেদের প্রথম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে তারা। শনিবার ওড়িশা রাজ্যের নিকটবর্তী ড. এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়।

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র একেবারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি একটি অস্ত্র। এগুলো বায়ুমণ্ডলের খুব নিচ দিয়ে উড়ে যেতে পারে। রাডারে শনাক্ত করাও সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় কঠিন। এ ছাড়া এই ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এবং প্রয়োজন পড়লে মাঝপথে লক্ষ্য পরিবর্তনও করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়া এরই মধ্যে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। এ তালিকায় এবার নাম লেখাল ভারত। আজ বিবৃতিতে রাজনাথ সিং বলেন, ‘দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে সফলতার মধ্য দিয়ে বড় একটি মাইলফল অর্জন করেছে ভারত।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রটি হাইপারসনিক গতিতে ছুটে গিয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এটি বিভিন্ন ধরনের পে-লোড বহন করতে পারবে এবং ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

    ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ ডিআরডিও’র বিজ্ঞানীরা। এটির সফল উৎক্ষেপণ ভারতের সামরিক সক্ষমতার একটি মাইলফল বলে মনে করছেন দেশটির কর্মকর্তারা।


    কিছুদিন আগে এক প্রদর্শনীতে নিজেদের অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো সামনে এনেছিল চীন। গোপনে হামলা চালাতে সক্ষম জে–৩৫এ যুদ্ধবিমান এবং হামলার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ড্রোন সেখানে প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো সামনে আনা হয় এইচকিউ–১৯ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও হাইপারসনিক আকাশযান ধ্বংস করতে এইচকিউ–১৯–এর নকশা করা হয়েছে।

    বিগত বছরগুলোতে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষাবিষয়ক সহযোগিতা জোরদার করেছে নয়াদিল্লি। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কোয়াড জোটেও রয়েছে দেশটি। এ ছাড়া রাশিয়ার অস্ত্রের বড় ক্রেতা ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুমকি থাকার পরও রাশিয়া থেকে কয়েক শ কোটি ডলারের এস–৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কিনেছে তারা।

    কোন মন্তব্য নেই:

    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    Post Bottom Ad

    Responsive Ads Here

    Pages